জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, এবছর গোপালগঞ্জ জেলায় ৪৪০ হেক্টর জমিতে বারি তিল-৪ আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তিলের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট-পিরোজপুর সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বারির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম খায়রুল বাসার বলেন, বারি তিল ৪ হেক্টর প্রতি ১৫’শ কেজি ফলেছে। তিলে ৪৫ ভাগ তেল আছে। এটি বাংলাদেশর তৃতীয় প্রধান ভোজ্য তেল। স্থানীয় জাতের তিল হেক্টরে ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি ফলে। কিন্তু বারি তিল হেক্টরে ফলে প্রায় ১৫০০ কেজি।
তিনি আরও জানান, ১ কেজি বারি তিল থেকে সাড়ে ৪০০ গ্রাম তেল পাওয়া যায়। কিন্তু স্থানীয় জাতের ১ কেজি তিলে মাত্র ২৫০ গ্রাম তেল উৎপাদিত হয়। এখানে তিল আবাদ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে আবার তিল চাষ শুরু করেছি। আগামীতে এখানে তিলের আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা গ্রামে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবস থেকে কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন এবার প্রতি হেক্টরে প্রায় দেড় টন তিল উৎপাদিত হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগ পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর আয়োজিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের ডিডি সমীর কুমার গোস্বামী।
আরও পড়ুন: আরও ভালো ফল চাই: শিক্ষামন্ত্রী
/এমও/