কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক জানান, মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধের মামলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা আলবদর কমান্ডার ব্যারিস্টার মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ৪০ নম্বর কনডেম সেলে বন্দি আছেন। তার সঙ্গে দেখা করার জন্য স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন, ছেলে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান, পুত্রবধূ সায়েদা তাহমিদা আক্তার ও তাহমিনা আক্তার, মেয়ে তাহেরা তাসমিন, ভাগ্নে রুমান পারভেজ ও আব্দুল্লাহ আল মাহাদী, ভাতিজা কেএম রশিদ উদ্দিন ও শুভ মজুমদার কারাগারে আসেন এবং অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে মীর কাসেম আলীর সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়। তারা কারাগারের একটি কক্ষে সাক্ষাৎ করেন এবং পারিবারিক বিষয় ও মামলার রিভিউ নিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট কথা বলেন। এরপর ১টা ২৫মিনিটে তারা কারাগার থেকে বের হন এবং কারা চত্বর ত্যাগ করেন।
এদিকে,মীর কাসেমের আইনজীবী মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, গত ১১ জুন মীর কাশেম আলীর ছেলে ও আইনজীবীরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি রায়ের রিভিউ আবেদন নির্দেশ দেন। রিভিউ আবেদনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। দু’একদিনের মধ্যেই (২০ জুনের আগে) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন দাখিল করা হবে। তবে রিভিউ চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে গিয়ে মীর কাসেম আলীকে তা দেখানো হবে।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই দণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু করবে কারা কর্তৃপক্ষ। আর আসামি রিভিউ আবেদন করলে ওই দণ্ড কার্যকর প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। দণ্ডের বিষয়ে বিচারিক আদালত অর্থাৎ ট্রাইব্যুনাল থেকে মৃত্যুপরোয়ানা জারি করলেও রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। রিভিউ আবেদনে রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকলে রাষ্ট্রপতির কাছে অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে পারবেন মীর কাশেম আলী।
/জেবি/এইচকে/আপ-এনএস/
আরও পড়ুন: ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব, এ ঘটনায় আমি জড়িত নই: আদালতে ফাইজুল্লাহ