শহিদুল ইসলাম তার নামের শেষে ডিপ্লোমা অব মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টি (ডিএমএফ) ডিগ্রি উল্লেখ করেছেন। তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শহিদুল ইসলাম পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন। কয়েক মাস আগে তিনি উত্তর রাজাশন এলাকায় ওই ফার্মেসি চালু করেন।
নিহত মনতাজুল ইসলাম ঢাকা মশক নিবারণ দফতরে চাকরি করতেন। তার বাবা মোজাহার আলী জানান, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার ছেলে মনতাজুল ইসলামের বুকে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়। এ সময় তারা মনতাজুলকে বাড়ির পাশে মণ্ডল ফার্মেসিতে নিয়ে গেলে ভুয়া ডাক্তার শহিদুল ইসলাম তার ছেলের শরীরে ইনজেকশন পুশ করেন ও বিভিন্ন ব্যথার ওষুধ খাওয়ানোর জন্য দেন। ব্যথার ওষুধ খাওয়ানোর পর তারা ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এর এক ঘণ্টা পর আবারও ব্যথা শুরু হলে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে বলেন। এরপর তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
সোমবার সকালে আবারও বুকে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হলে ডা. শহিদুল ইসলামের দেওয়া ওষুধ খাওয়ানো হলে মনতাজুল মারা যায় বলে অভিযোগ করেছেন মোজাহার আলী।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
‘ভারতে সংরক্ষিত অরণ্যের এত কাছে হলে কিছুতেই অনুমতি পেতো না রামপাল!’
/বিটি/