ওই আদালতের বিচারক মো.দলিল উদ্দিন কাশিয়ানী থানার ওসিকে অভিযোগটি এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটি একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
জানা গেছে, ধর্ষণের পর খাঁজা নেওয়াজ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে অপতৎপরতা শুরু এবং ওই শিশুটির পরিবারকে নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ফলে পরিবারটি আইনি সহায়তা নিতে ও স্থানীয়দের জানাতে ভয় পাচ্ছিল। গত শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় একটি মহল তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়। অবশেষে ঘটনার ২৫ দিন পর সোমবার ধর্ষিত শিশুর মা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, কাশিয়ানী উপজেলার সাফলিডাঙ্গা গ্রামে ওই শিশু ও তার মা একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। ওই বাড়ির একই ভবনের অন্য একটি রুমে ফরহাদ নামে এক ব্যক্তি ভাড়া থাকেন। সেখানে কাশিয়ানী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খাঁজা নেওয়াজ জুয়া,মদ ও গাঁজার আসর বসাতেন। গত ২৮ জুলাই বিকালে ঘর ছেড়ে ফরহাদ বাইরে যান। পরে খাঁজা নেওয়াজ মদ পান করার সময় ওই শিশুকে ডেকে মদ পান করিয়ে পরে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েকে না পেয়ে ওই রুমে যান শিশুটির মা। তাকে দেখে খাঁজা পালিয়ে যায়।
অভিযুক্ত খাঁজা এলাকায় প্রভাবশালী। তারা ওই পরিবারটিকে হুমকি ধামকি দিয়ে বিষয়টি দাবিয়ে রাখেন। তারা স্থানীয়ভাবে ধর্ষণের ঘটনাটি মীমাংসার করার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খাঁজা নেওয়াজের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ধর্ষণের কথা অস্বীকার করে বলেন, একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে আমি কোনও মীমাংসা বা ওই পরিবারকে হুমকি দেইনি।
/এআর/