আফছর আলী আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব রায়হানা আক্তার বেগম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আফছর আলী আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূর ইসলাম, বেতমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মনছর আলী আকন্দ ও এস এম মডেল স্কুলের পিয়ন মো. শিপন মিয়া। আদালত নূর ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, মনছর আলীকে এক মাসের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা এবং শিপনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন।
কেন্দ্র সচিব সূত্রে জানা গেছে, রবিবার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর আফছর আলী আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কর্তব্যরত সহকারী শিক্ষক নূর ইসলাম নৈব্যক্তিক অংশের প্রশ্ন মুঠোফোনে ধারণ করে উত্তর বলে দেওয়ার সময় আদালতের নির্বাহী হাকিম তামান্না আক্তার শারমীন তা ধরে ফেলেন। সকাল সাড়ে ১০টায় নৈব্যক্তিক অংশের উত্তর লেখার সময় শেষ হয়ে গেলেও সহকারী শিক্ষক মনছর আলী ও পিয়ন শিপন দশ মিনিট বিলম্বে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে খাতা সংগ্রহ করেন।
পরীক্ষা শেষে নির্বাহী হাকিম তামান্না আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালতে শারমীন শিক্ষক নূর ইসলাম ও মনছর আলী আকন্দ এবং অফিস সহায়ক শিপন মিয়াকে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনে অভিযুক্ত করে ওই দণ্ড প্রদান করেন।
/এমডিপি/