রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরের ডোবা ও আশেপাশের এলাকায় শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে নতুন করে কোনও অস্ত্র বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। ডোবায় আরও অস্ত্র আছে কিনা, তা খুঁজে দেখতে আজ রবিবার ডোবার পানি সেচ দেওয়া হবে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক শনিবার বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরের ডোবা থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার অভিযান দ্বিতীয় দিনের মতো শেষ হয়েছে। আরও অস্ত্র আছে কিনা, রবিবার ডোবার পানি সেচ দিয়ে তল্লাশি করে দেখা হবে।’
মঈনুল হক আরও বলেন, ‘শুক্রবার ঢাকার বোম ডিসপোজাল ইউনিট ডোবা থেকে উদ্ধার করা হাত তৈরি ৪২টি গ্রেনেড ও ৫৮টি টারবাইন সেল নিষ্ক্রিয় করেছে।’
শনিবার (৩ জুন) সকাল থেকে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থল ও তার আশেপাশের এলাকা ঘিরে রাখে। জোরদার করা হয় ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ সময় ঘটনাস্থলের আশেপাশে জনসাধারণকে প্রবেশ করতে দেয়নি পুলিশ।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ডোবা ও আশেপাশের এলাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে নতুন করে কোনও অস্ত্র বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, পূর্বাচলের ওই ডোবা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রূপগঞ্জের ভোলাবো বাসুন্দা এলাকার শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সহায়তায় পাচঁটি এসএমজি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তিনি বলেন, ‘ডোবার অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শীতলক্ষ্যা নদীতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে একটি বস্তা পাওয়া যায়। বস্তার ভেতরে ওই এসএমজিগুলো ছিল।’
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শনিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ওই ডোবায় তল্লাশি চালায়। তারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখে। তবে কোনও অস্ত্র, গুলি, বিস্ফোরক বা গোলাবারুদ পাওয়া যায়নি।
/এমএ/এমএইচ/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন-
শীতলক্ষ্যা থেকে আরও ৫টি এসএমজি উদ্ধার
ব্যাগে করে ডোবায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল অস্ত্র ও গোলাবারুদ