সাবেক ওই ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন মো. সিদ্দিকুর রহমান (৩৫)। তিনি এনসিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই ব্যাংক থেকে বিভিন্ন কায়দায় টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বর্তমানে তিনি চাকুরিচ্যুত। সাবেক এ ব্যাংক কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের মুরারিদহ গ্রামের বাসিন্দা। এ মামলার অন্য আসামি হলেন সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী শিল্পী আক্তার (২৪)।
দুদুক সুত্রে জানা গেছে, মো. সিদ্দিকুর রহমান এনসিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে রেমিটেন্স শাখায় কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকার সময়ে বিভিন্ন কায়দায় প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ওই ব্যাংকের প্রায় ৮ কোটি ৯৮ লাখ, ৬৬ হাজার ৫৫৫টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ অভিযোগে ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ওই ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঢাকার মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে ওই মামলাটি তদন্ত করে দুদক।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুদকের সমন্বিত ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফজলুল হক জানান, ‘তদন্তকালে সিদ্দিকুর রহমানের প্রকাশ্য ও গোপন সম্পদ হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায় তিনি ২ কোটি ৭৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করাসহ ৫ কোটি ৯২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৪ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ করেছেন। এ সম্পদের একটি বড় অংশ ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী মহল্লায় ৭ শতাংশ জমিসহ ৬তলা বিশিষ্ট একটি ভবন করে সে ভবনটির মালিকানা তিনি স্ত্রীর নামে হেবা (হস্তান্তর) করে দেন।’
/এমএনএইচ/