দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে উপচে পড়া ভিড়, ভাড়া দ্বিগুণ

ঈদ শেষে কর্মস্থল ফেরত হাজারও মানুষের ভিড় উপচে পড়েছে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকা। ফেরি কিংবা লঞ্চযোগে পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছানোর পর ঢাকামুখী বাসে উঠতে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া। পাটুরিয়া থেকে গাবতলী পর্যন্ত ভাড়া ৩০০ টাকা পর্যন্তও নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসন নজরদারি বাড়ানোয় রবিবার ভাড়ার পরিমান কিছুটা কমেছে।

ঘাট এলাকায় বাসের অপেক্ষায় মানুষের ভিড়যশোর থেকে আসা আরমান আলী স্ত্রী, তিন সন্তান নিয়ে কর্মস্থল ঢাকায় যেতে পাটুরিয়া ঘাটে নেমে যানবাহনে উঠতে গিয়ে পড়েছেন বিপাকে। গোনা টাকা নিয়ে ঈদ আনন্দ শেষে ফিরছেন তিনি কর্মস্থলে। কিন্তু ৯০ টাকার ভাড়া গুণতে হয়েছে ১৮০ টাকা।

এদিকে, ঝিনাইদহ থেকে আসা গার্মেন্টসকর্মী আয়শা বেগম স্বামী রফিক ও দুই সন্তান নিয়ে অপেক্ষা করছেন পাটুরিয়া টার্মিনাল এলাকায়। ওই গার্মেন্টস জানালেন, ভাড়া ২০০ টাকা চাচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করে কোনও লাভ হয় না, তাই ৯০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা দিয়েই যেতে হচ্ছে।’

ঘাটে মানুষের ভিড়পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে গাবতলীর বাস ভাড়া ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা হলেও এখন যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ইচ্ছেমতো। ঢাকামুখী যানবাহনের সংকটের অজুহাতে যানবাহনের হেলপার ড্রাইভার ও দালালরা একাট্টা হয়ে ভাড়ার পরিমান বাড়িয়েছে।

পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম জানান, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে প্রচুর পরিমাণে যাত্রী আসছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। যে পরিমান যাত্রী আসছে তার চেয়ে যানবাহনের সংখ্যা কম। তবে পুলিশের ওই কর্মকর্তা যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়ার নেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা অঞ্চলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আজমল হোসেন জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ঈদের পর থেকে ২০ থেকে ২১টি ফেরি চলাচল করছে। ফেরির কোনও সংকট নেই এই রুটে।