আহত আলমগীর বলেন,‘আমার এক বন্ধু সুরুজকে সঙ্গে নিয়ে মানিকগঞ্জ ইসলামী ব্যাংক থেকে ৯ লাখ টাকা তুলে দুজনে বাসায় ফিরছিলাম। পথে মানিকগঞ্জ থেকে পিছু নেওয়া মুখোশ পড়া ছিনতাইকারীরা নবগ্রাম এলাকায় আমাদের দিকে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। পরে আমাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয় এবং টাকা নিতে না পেরে গুলি করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’
মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার লুৎফর রহমান জানান, গুলিটি রোগীর হাতে লেগে হাড় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু টাকা নিতে না পেরে আলমগীরকে গুলি করে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ এবং কোনও মামলাও হয়নি।
আরও পড়ুন:
‘ধর্ষক’ তুফানের বিরুদ্ধে চার্জশিট