কোনাখোলা টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সহকারী লাইনম্যান নাছির উদ্দিন জানান, গত অক্টোবর মাসের শেষের দিকে রাতের আধারে একদল চোর টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সামনে মূল লাইনের মূল্যবান ক্যাবলগুলো কেটে চুরি করে নিয়ে যায়। পরে ওই চুরি যাওয়া ক্যাবলসহ ছয় জনকে আটক করা হলেও এক্সচেঞ্জটি পুনরায় চালু করা হয়নি। এই টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সীমানা দেয়ালের পাশেই কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সব গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক অফিস এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়। প্রতিদিনই জনগুরুত্বপূর্ণ কাজে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতে হয়।এছাড়া ফ্যাক্সের মাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন টেলিফোন লাইনগুলো বিকল থাকায় প্রশাসনিক কাজে চরম ব্যাঘাত ঘটছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য পেশার গ্রাহকরাও দীর্ঘদিন টেলিফোন লাইনগুলো বিকল থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কোনাখোলা টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সুপারভাইজার আসাদুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা ক্যাবল সরবরাহ করলেই আমরা টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি চালু করবো।’