ডিপিডিসির টাস্কফোর্সের নির্দেশে ও প্রধান প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে রবিবার (৪ মার্চ) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযানটি পরিচালিত হয়। এসময় ওই তিনটি অটোরিকশা গ্যারেজের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ছাড়াও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। গ্যারেজ তিনটির মালিক সেলিম শিকদার, হাবিবুর রহমান ও মোতাহার হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ডিপিডিসি শীতলক্ষ্যা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী শরীফ হোসেন, উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ, মুরাদ হোসেন, লাইনম্যান (ম্যাট) দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
ডিপিডিসি শীতলক্ষ্যা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন বলেন, গত বছরের নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত শীতলক্ষ্যা জোনের অধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ থেকে ৩৫টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এসব গ্যারেজকে ৫০ লাখ টাকারও বেশি জরিমানা করা হয়েছে। গ্যারেজগুলোতে হুক ও মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ চুরি করা হতো। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা অটোরিকশার গ্যারেজগুলোর বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অটোরিকশার গ্যারেজগুলোতে সাধারণত বাইপাইল লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ চুরি করা হয়ে থাকে। এর আগে, গত বছরের ১২ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই শহরের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ও ফতুল্লায় ডিপিডিসির স্পেশাল টাস্কফোর্সের একাধিক টিম অভিযান চালায়। এতে ২০টি ব্যাটারিচালিত অবৈধ অটোরিকশা গ্যারেজে ২ লাখ ৬৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। এর মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ চুরি ও ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার প্রমাণ পায় টাস্কফোর্স।
আরও পড়ুন-
শিশু-কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে: মেনন
প্লেন থেকে নামিয়ে দেওয়া তরুণীকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু