ছিনতাইয়ের শিকার ইজিবাইক মালিক বকুল ভূঁইয়া জানান, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় বামনগাঁও রোড থেকে ফেরার পথে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত দু’জন ব্যক্তি তার গাড়ির চালক আতাউর রহমানের গতিরোধ করে। এ সময় তারা আসামি ধরার কথা বলে হাত বাঁধা অবস্থায় অপরিচিত একজনকে উঠিয়ে গাড়ি নিয়ে চালককে নিয়ে বামনগাঁওয়ের উদ্দেশে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ইজিবাইকসহ চালক নিখোঁজ হয়। সোমবার সকালে অচেতন অবস্থায় ইজিবাইক চালককে স্থানীয় একটি জঙ্গলের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ইজিবাইকটি এখনও পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে তিনি শ্রীপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
তিনি অভিযোগ করে জানান, পুলিশ তদন্ত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি।
অপর চালক সেলিম সরকার (৩২) জানান, রবিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত দুই ব্যক্তি একই রোডের অপর একটি স্থানে তার গতিরোধ করে। পরে আসামি ধরার কথা বলে হাত বাঁধা অবস্থায় একজনকে গাড়িতে উঠিয়ে বামনগাঁওয়ের উদ্দেশে যেতে বলে। নির্জন এলাকায় যাওয়ার পর তাকে একটি জুস দিয়ে খেতে বলে। খেতে অস্বীকৃতি জানালে মারধোর করে জোর করে কিছুটা জুস খাইয়ে দেয়। এরপর তিনি আর কিছু বলতে পারেননি। চেতনা ফিরে এলে তিনি তার ইজিবাইকটি আর ফিরে পাননি।
এসআই কায়সার আহমেদ জানান, এ ঘটনায় পুলিশের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। প্রকৃত চোরদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারর করতে পুলিশের অভিযান চলছে।