এদিকে পুলিশ দাবি করেছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানকে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে সড়কে যানবাহন ভাঙচুর, যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে আটক করা হয়েছে। গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘তার কয়েকজন সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: আবদুল্লাহ আল নোমান টঙ্গীতে আটক
তবে, যানবাহন ভাঙচুর বা যান চলাচলে বাধা দানের মতো কোনও ঘটনা রবিবার গাজীপুরে মহানগরের কোথাও ঘটেনি বলে দাবি করেছে গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সংবাদ সম্মেলন শেষে আব্দুল্লাহ আল নোমান মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের বাসা থেকে বের হন। এসময় টঙ্গী থানা পুলিশ তাকে আটক করে। তার সঙ্গে থাকা আরও চার নেতাকেও পুলিশ আটক করে। পরে বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আরও কমপক্ষে ১০ জনকে আটক করা হয়। আটকের পর ইউনিফর্ম এবং সাদা পোশাকে পুলিশ হাসান উদ্দিন সরকারের বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে।’
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিতের আদেশের খবর শুনে বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের টঙ্গীর বাসায় সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হওয়ার পর বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানকে আটক করে টঙ্গী থানা পুলিশ।
বিএনপি মেয়র প্রার্থীর বাড়ি ঘেরাও করে রাখা প্রসঙ্গে এএসপি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে মনে করলে বা কোনও জায়গায় নাশকতার মামলার কোনও আসামি থাকার খবর পুলিশের কাছে থেকে থাকলে পুলিশ যেকোনো স্থানে অবস্থান করতে পারে। অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগটি ভিত্তিহীন।’
আটকের আগে যা বলেছিলেন আব্দুল্লাহ আল নোমান
আটকের আগে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘নির্বাচন স্থগিতের সঙ্গে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা এর জন্য ধিক্কার ও নিন্দা জানাই। এর মাধ্যমে সরকার জাতির সঙ্গে ও গাজীপুরের ভোটারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমাদের ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয় জেনে তারা নানা অপকৌশলের চেষ্টা করছে। সরকার এখন ভোটের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে। সেজন্য মানুষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন বেশিদিন স্থগিত রাখতে পারবে না।’