শনিবার সকাল থেকে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫২, ৫৩ ও ৫৪ ওয়ার্ডের বড় দেওড়া, মুদাফা, বাদাম, বাকরাইল, গোসলিয়া এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় বিভিন্নপথ সভায় জনগণের কাছে ভোট চান।
বড় দেওড়া এলাকায় মন্ডল মার্কেটে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী বলেন, ‘গাজীপুরের নাগরিকরা সবাই সচেতন। এখানে ৩৮৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী আছেন। সবারই অধিকার আছে। সে জন্য কোনও হুমকি দিয়ে লাভ হবে না। প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কোনও কাজ হবে না। জনগণের কাছে সরাসরি গিয়ে তাদের প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।'
‘নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয় এবং সরকার যদি নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করে, তবে বিএনপি ও জনগণ তা প্রতিহত করবে’—হাসান সরকারের এমন বক্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এটা একটা স্বাধীন দেশ। এখানে যুদ্ধ করার কিছু নেই। গাজীপুরের মানুষ শান্তিপূর্ণ অবস্থানে আছে। মানুষকে হুমকি দিয়ে কোনো লাভ নেই।’ তিনি বলেন, ‘হাসান উদ্দিন সরকার গাজীপুরের মানুষকে মাটির সঙ্গে পিষে ফেলবেন বলেছেন। তার মতো মুরব্বি একজন মানুষ এমন কথা বলতে পারেন না। এখানে সবাই খেটে খাওয়া মানুষ, সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলা উচিত। আমি মনে করি, গাজীপুরের সবাই সম্মানিত। তাই নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যা যা করা দরকার, তার সবই করবো। আমার নেতাকর্মীদেরও সেটি বলা আছে।’
আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী বলেন, ‘এখানে একটি বসবাস যোগ্য শহর করতে চাই। রাস্তাঘাট, ফুটপাত, ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে চাই। যেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিরাপদে চলতে পারে। মানুষ আমাদের কাছে এটাই চায়। কিন্তু এখন মানুষ হতাশায় ভুগছে। কারণ গতবার ভোট দিয়ে গাজীপুরবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেজন্য বলতে চাই, নৌকায় ভোট দিয়ে আপনাদের একজন কর্মচারী হিসেবে আমাকে সুযোগ দিন। আমি আপনাদের একটি ক্লিন ও গ্রিন সিটি উপহার দিতে চাই।'
গাজীপুরের নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা, তা নিয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর সংশয় ও অভিযোগের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'গাজীপুরে কখনও অনিয়ম দেখিনি, বিগত ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে হাসান উদ্দিন সরকার নির্বাচন করেছিলেন। কিভাবে নির্বাচন করেছেন, তিনি নিজেই তার ভাষ্যে বলে দিয়েছেন। সেই সময়টি ২০১৮ সাল নয়, এখন প্রতিটি মানুষ সচেতন। তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে।'