নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রস্তাবিত কদম রসুল সেতু একনেকে অনুমোদন পাওয়ায় দরগা জিয়ারত ও মিলাদে অংশগ্রহণ করেছেন সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। সেখানে তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন দোয়া কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্প অনুমোদন করায় আল্লাহর দরবারে তার জন্যও দোয়া কামনা করা হয়। বুধবার বাদ বিকেলে বন্দর নবীগঞ্জে অবস্থিত কদম রসুল দরগায় এই মিলাদের আয়োজন করা হয়েছিল।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল মেয়র আফরোজা হাসান বিভা, কাউন্সিলর কবির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু সুফিয়ান, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদির, জেলা যুবলীগের সহসভাপতি আলী রেজা রিপন, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জ্বল ও আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘২০১১ সালে নির্বাচনের সময় আমি কদম রসুল দরগা জিয়ারর করতে এসে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেছিলাম, যদি কদম রসুলের উসিলায় আল্লাহ নারায়ণগঞ্জবাসীকে সেবা করার সুযোগ করে দেয়, তাহলে কদম রসুলের নামে একটি সেতু করব। আল্লাহ আমাকে সে সুযোগ করে দিয়েছে । আজ সাত বছর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একনেকের সভায় কদম রসুল সেতুর অনুমোদন দিয়েছেন। সেজন্য আজ শোকরানা মিলাদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়েছে।’
মেয়র আইভী জানান, প্রথমে একটি আন্তর্জাতিক দরপত্র হবে। এলজিইডি এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন যৌথভাবে সেতু নির্মাণের কাজ করবে। দরপত্রের পর কাজ শুরু হতে ৪/৫ মাস লেগে যেতে পারে। প্রস্তাবিত সেতুটি নগরের ৫নং ঘাট এলাকায় নির্মিত হবে। সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩৮৫ মিটার এবং প্রস্থ ১২.৫ মিটার। ২০২২ সালের জুন মাসের সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা।