সকাল ১১টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত চলা এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা হাতে লেখা বিভিন্ন স্লোগান সম্মিলিত ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল ‘রাজপথে নৈরাজ্য,প্রশাসন চুপ কেন? অ্যাম্বুলেন্স আটকে শিশু হত্যা কেন? প্রশাসন জবাব চাই? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাস ভাঙচুর কেন? প্রশাসন জবাব চাই? জনগণকে জিম্মি করে হেনস্তা কেন? প্রশাসন জবাব চাই?’
এসময় ‘ভেজা বেড়াল গোঁফের ফাঁকে হা হা করে হাসছে বেশ,পোড়া মোবিলের কলঙ্কে লাঞ্ছিত আজ বাংলাদেশ।’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ড সবার দৃষ্টি কাড়ে।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ছাত্রীদের গায়ে কালি ছুড়ে মারা ও গাড়ি ভাঙচুরকারী পরিবহন শ্রমিকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান। তাদের দাবি পুলিশের সামনে পরিবহন ধর্মঘটের নামে শ্রমিকরা সড়কে নৈরাজ্য চালালেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিল।
মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের উদ্দেশে শিক্ষার্থীরা বলে,এসব পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ছাত্ররা আবারও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন,যেসব শ্রমিক এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। পুলিশ প্রশাসন পাশে দাঁড়িয়ে ছিল, কিন্তু তারা কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কেন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না তার জবাব দিতে হবে প্রশাসনকে।
তিনি বলেন, সব শ্রমিকরা এই কাজ করেনি। যাদের মন মানসিকতা খাবাপ তারাই নারী শিক্ষার্থীদের গায়ে কালি ছুড়ে মারার মতো কাজ করেছে। আমারা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
শিক্ষার্থী শাহারিয়ার শুভ্র বলেন, কলেজ শিক্ষার্থীদের গায়ে কালি ছুড়ে, চালকের মুখে কালি লেপন করে যে নৈরাজ্য পরিবহন শ্রমিকরা করেছে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, যেসব পরিবহন শ্রমিক ছাত্রীদের গায়ে কালি ছুড়েছে তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ,শাহারিয়ার শুভ্র,রায়হান শরীফ,বৈশাখী চক্রবর্তীসহ অনেকে।