গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ-সদরের একাংশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী কারাবন্দি ফজলুল হক মিলনের স্ত্রী শম্পা হকের প্রচারে বাধা দেওয়াসহ হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বেলা ১২টায় গাজীপুর মহনগরের মাজুখান বাজারের কাছাকাছি এ ঘটনা ঘটে। হামলায় পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় যুবদল ও ছাত্রদলের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক নেতাকর্মীরা হলেন,‘যুবদল নেতা আওলাদ হোসেন ও ছাত্রদল নেতা মাসুম সরকার।
হামলায় গাজীপুর মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক ও কালীগঞ্জ পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী শাহনাজ আক্তার চামেলি, রাশিদা আক্তার, পূবাইল থানা যুবদল নেতা সোহেল রানা, পলাশ রানা ও মেহেদী হাসান আহত হন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফজলুল হক মিলনের স্ত্রী শম্পা হকের অভিযোগ, তিনি সকাল থেকে পূবাইল থানা এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচার শুরু করেন। গণসংযোগে এসে তিনি প্রতি পদে পদে বাধার সম্মুখীন হন। মেঘডুবী গ্রামে প্রচার শেষে বেলা ১২টার দিকে মাজুখান বাজারে গণসংযোগে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার গাড়ির কাঁচ ভেঙে ফেলে ও গণসংযোগে আসা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার সময় পুলিশ কাছাকাছি ছিল। কিন্তু তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
প্রসঙ্গত, গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ) আসন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক মিলনকে (ধানের শীষ) গত ১৩ ডিসেম্বর কালীগঞ্জের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি। তার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন তার স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজের সাবেক ভিপি শম্পা হক।
গাজীপুর জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।