শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে উন্নয়ন হয়েছে, মানুষ তাতে বিশ্বাস রেখেছে: ফারুক খান

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করছেন কর্নেল (অব.) ফারুক খান

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ-০১ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন,‘এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার কারণ হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে উন্নয়ন হয়েছে মানুষ ওপর বিশ্বাস রেখেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের সক্ষমতা একমাত্র আওয়ামী লীগেরই আছে এটা তারা বিশ্বাস করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন,‘গত ৫ বছরের উন্নয়নে দেখে ও আগামী উন্নয়নের কথা চিন্তা করে ভোট দিয়েছে। শান্তি-শৃংখলাসহ যে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে তার সক্ষমতা একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগেরই আছে।’

ফারুক খান আরও বলেন,‘বিএনপি-জামাতসহ যারা ঐক্যফ্রন্টের নামে নির্বাচন করেছে তাদের বাংলাদেশের মানুষ চেনে। অতীতে তাদের দিয়ে বাংলাদেশের ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই হয়নি সেটা বাংলাদেশের মানুষ জানে। সেই কারণেই ভোটের মাধ্যমে তাদের জবাব দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন,‘জিয়া একসময় গোপালী আমাদের বলেছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জের নামই পাল্টে দিতে চেয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে গোপালগঞ্জের মাটি থেকে ধানের শীষের নাম ভোটাররা মুছে দিয়ে তার জবাব দিয়েছে। এটা আগামীতে বিএনপির জন্য একটি রাজনৈতিক সতর্কবার্তা। আশা করি তারা এ থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক হবে এবং আগামীতে গণতন্ত্রের রাজনীতিতে চলার চেষ্টা করবেন।’

এর আগে, টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, মুহাম্মদ ফারুক খান। পরে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

এসময় তার মেয়ে কানতারা খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিয়ার রহমান মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম সিকদার, কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হায়দার হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।