জানা যায়, প্রতিটি খালের মুখে রয়েছে স্লুইচ গেট ও লকগেট যেগুলো অকেজো হয়ে আছে। এসব গেটের মুখ বালি পড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পানি একদিকে যেমন বিলে প্রবেশ করতে পারছে না, তেমনি বিলের পানি সময়মতো নামতেও পারছে না। ফলে এলাকার কৃষকরা পড়েছেন বেকাদায়। যখন বিলে পানি দরকার তখন পানি থাকে না, আবার যখন পানি সরানোর দরকার তখন জলাবদ্ধ হয়ে থাকে কৃষি জমি।
এসব স্লুইচ গেট ও লকগেট গুলোকে অপরিকল্পিত উল্লেখ করেছেন এলাকাবাসী। এ গেট নির্মাণের পর থেকেই এলাকার খালগুলি বালিতে ভরে যেতে থাকে বলে জানান এলাকাবাসী।গোপালগঞ্জে বিভিন্ন খালের মুখ বালিতে ভরে যাওয়ায় কৃষকরা খালের পানি সেচের কাজে লাগাতে পারছেন না।
গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সমীর কুমার গোস্বামী পানির সমস্যার কারণে এসব অঞ্চলে কৃষকদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বন্ধ হয়ে যাওয়া খালের বালি সরিয়ে ফেলে খালে পানির প্রবাহ সৃষ্টির ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।’
গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফি উদ্দিন খালের মুখ বন্ধ হয়ে কৃষি কাজে কৃষকদের অসুবিধার কথা স্বীকার করে প্রতি বছর যাতে খালগুলোর মুখ থেকে বালু সরানো হয় বা খালগুলো কেঁটে সচল করা হয় তার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন এমনটি প্রত্যাশা এ অঞ্চলের কৃষকদের।