তৃতীয় দিনেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ডুবে যাওয়া ট্রলার

01মুন্সীগঞ্জের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনেও চলছে উদ্ধারকাজ। তবে এখনও ট্রলারটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ২০ শ্রমিক ও ট্রলার চিহ্নিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারীরা।
এর আগে মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে চর ঝাপটা এলাকায় মালবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় "জাকির দেওয়ান" নামের ট্রলারটি। ট্রলারটি উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসন।
আজ সকালে ঘটনাস্থলে আসেন বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, বিকালের দিকে নৌ-বাহিনীর একটি ডুবুরী দল ঘটনাস্থলে এসে কাজ করবে।
গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির (ইনচার্জ) কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের দেওয়া তথ্যমতে ঘটনাস্থলে এখনও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এখনও চিহ্নিত করা যায়নি ও নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। আজকে ঘটনাস্থলে বাড়তি জনবল কাজ করছে। ’
গজারিয়া নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক আসাদ আলী জানান, ঢাকা ফায়ার সার্ভিস থেকে ‘অগ্নি শাসক’ ও বিআইডব্লিউটিএ'র কনক এখানে উদ্ধারকারী জাহাজ হিসেবে কাজ করছে।
গজারিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান সাদী বলেন, ‘বিআইডাব্লিউটিএ নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকাল থেকে নিখোঁজ ট্রলার অনুসন্ধান করছে। কিন্তু, ট্রলারের কোনও সন্ধান মেলেনি।’
উল্লেখ্য, মাটিবোঝাই ট্রলারটি কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দিকে যাচ্ছিল। এর অধিকাংশ শ্রমিক ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা চাঁদপুরগামী মালবাহী জাহাজটির সাথে ধাক্কা লাগে ট্রলারটির। এসময় ডুবে যায় মাটিবোঝাই ট্রলারটি। ৩৪ শ্রমিকের মধ্যে ১৪ জন শ্রমিক সাঁতরে তীরে উঠতে পারে।