ফজলুর রহমান ১৯৬৩ সালে সরকারি বঙ্গবন্ধু (তৎকালীন কায়েদ-ই-আযম মেমোরিয়াল) কলেজে হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করেন। ১৯৯২ সালে প্রধান হিসাবরক্ষক হিসেবে অবসরে যান তিনি ।
৮৪ বছর বয়সী এই ভাষা সৈনিক বর্তমানে গোপালগঞ্জ সদসরের পাওয়ার হাউজ রোডের বাসায় ছেলেদের সঙ্গে বসবাস করছেন। পাওয়ার হাউজ মসজিদে নামাজ আদায়, নাতি-নাতনি ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে গল্প করে সময় কাটে তার।
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৫৪ সালে শহরের ব্যাংক পাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ির ঐতিহাসিক আম বাগানে বাঁশ ও কাগজ দিয়ে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। এ অপরাধে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টায় পুলিশ এসে আমাকে গ্রেফতার করে ফরিদপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যায়। তিন মাস কারাভোগের পর মুক্তি পাই। এরপরও একই দাবিতে সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন সংগ্রামে যোগ দেই।’
ভাষা সৈনিকদের অবদান চিরস্মরণীয় করে রাখতে সরকার তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সম্মান প্রদান করবে -এমনটাই আশা করেন ফজলুর রহমান ও তার পরিবার।