গোপালগঞ্জে নির্বাচনি প্রচারণা এখন তুঙ্গে

গোপালগঞ্জগোপালগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা এখন তুঙ্গে। গোপালগঞ্জের পাঁচ উপজেলার প্রার্থী ও সমর্থকরা রাত দিন নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। যে যার মতো নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। নির্বাচনি প্রচার প্রচারণায় পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যস্ত সময় পার করেছেন।

যে যার পছন্দের প্রার্থীর জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রচারণায় শামিল হয়েছেন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও। বাড়ি বাড়ি, পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে লিফলেট হাতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন এসব প্রার্থী ও সমর্থকরা। দুপুর ২টার পর মাইকে চালানো হচ্ছে প্রচারণা। কেউ গানের তালে তালে, কেউবা মুখরোচক কথার মাধ্যমে ভোট চাইছেন। এবারের নির্বাচনে গোপালগঞ্জের পাঁচ উপজেলায় আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীক বরাদ্দ না হওয়ায় প্রার্থীদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। দুইজন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়া বাকি প্রার্থীরা সবাই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।

স্থানীয় নেতারা যার যার পছন্দের নেতাকর্মী বা সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে পছন্দের প্রার্থীর জন্য ভোট চাইছেন। কেউ কেউ আবার নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছেন। গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ মনোনীত কোনও প্রার্থী না থাকায় সাধারণ জনগণ যে যার মতো প্রার্থী পছন্দ করে অনেকটা উৎসবের আমেজে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গোপালগঞ্জের পাঁচটি উপজেলায় ১৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪ জন, কাশিয়ানী উপজেলায় ৬ জন, কোটালীপাড়া উপজেলায় ৩ জন, মুকসুদপুরে ৪ জন ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ২ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন।
এরমধ্যে দুইজন প্রার্থী রয়েছে জাকের পার্টি ও জাতীয় পার্টির। বাকি ১৭ জন প্রার্থী আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এসব প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে নিজেদের পছন্দ মাফিক প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আগামী ২৪ মার্চ জেলার ৫ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৮ লাখ ভোটার তাদের আগামী দিনের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।