একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. আব্দুর রহিম খানকে সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক ড. মো. বশির উদ্দিনকে সদস্য সচিব করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ঈশিকা রায় ও এসিসিই বিভাগের সভাপতি ড. মো. কামরুজ্জামান। এই কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত রিপোর্ট এবং সুপারিশ রেজিস্টার প্রফেসার ড. মো. নুরউদ্দিন আহমেদের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রফেসার ড. মো. নুরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত অপর এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আক্কাস আলীকে নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষককে সভাপতির দায়িত্ব থেকে তার দেওয়া অব্যাহতি গ্রহণ করে তাকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হলো। ভুক্তভোগী ছাত্রীদের কোনোভাবে যেন হয়রানি করা না হয় তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তির দাবিতে রবিবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।