সোমবার (১ জুলাই) জেলা পুলিশের মুখপাত্র স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, পুলিশের কাছে চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা নিজেদেরকে দৈনিক গণজাগরণ ও অপরাধের খোঁজে পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক মো. আজিজুল হকের কাছে প্রতি মাসে ২০ হাজার করে টাকা দেওয়ার দাবি জানান। তা না হলে নিউজ করার হুমকি দেন তারা। এসময় গ্রেফতার ব্যক্তিরা গোপনে ভিডিও ধারণ ও কথা রেকর্ডিংয়ের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ পরিদর্শক মো. আজিজুল হক সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র দেখতে চান। তবে তারা কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের ভুয়া সাংবাদিক বলে স্বীকার করেন।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলো- সদর উপজেলার ফতুল্লার পঞ্চবটি চাঁদনী হাউজিংয়ের মৃত হায়দার খানের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২), বন্দর উপজেলার আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে রুহুল আমীন (৪৮), একই উপজেলার নবীগঞ্জের শাহ জালালের পুত্র ফয়সাল (৩২), ফতুল্লার ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকার সিদ্দিক মিয়ার ছেলে শরীফ মো. সিদ্দিকী ওরুফে আপন (৪০) এবং একই এলাকার আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে বাবু সওদাগর (৪৫)।
ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, পুলিশের কাছে চাঁদা দাবির ঘটনায় মামলা হয়েছে। অন্যদিকে রঘুনাথপুর বিভিন্ন বাড়িতে অবৈধ গ্যাসের কথা বলে চাঁদা দাবিকালে এলাকার লোকজন কথিত পাঁচ সাংবাদিককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।