তার বিরুদ্ধে মামলা দুটি করা হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে।
গত ৪ জুলাই ১২ শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আল- আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মাদ্রাসা থেকে একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সেখান থেকে পর্নোগ্রাফি ছবিতে বেশ কয়েকজন ছাত্রীর মাথা কেটে সংযুক্ত করা একাধিক ছবি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় র্যাবের ডিএডি কামাল হোসেন বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এবং নির্যাতনের শিকার এক শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ফতুল্লা থানায় মাওলানা আল- আমিনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।
ফতুল্লা থানা পুলিশ ৫ জুলাই (শুক্রবার) মাওলানা আল আমিনকে দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেন। আজ শুনানি শেষে আদালত আল -আমিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসা থেকে মাত্র ১ হাজার গজ দূরে সিদ্ধিরগঞ্জের কান্দাপাড়া অক্সফোর্ড হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আরিফুল ইসলামকে ২০ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতের অভিযোগে গ্রেফতার করার পর সে আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।