নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রমথ রঞ্জন ঘটক বলেন, ‘আমার অফিসে কেউ জাল জালিয়াতি করে রেহাই পাবেন না। আমরা নামজারির আবেদনের কাগজপত্র ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই ঠিকভাবে নামজারি করে থাকি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়েই মিন্নত আলীর জাল জালিয়াতির কাগজপত্র আমাদের কাছে ধরা পড়ে। মিন্নত আলীর এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
নাজির মোহাম্মদ মজিরুল হক জানান, মিন্নত আলী নামের একজন তার নামে বেয়ারা মৌজায় ছয় শতাংশ জমি নামজারির আবেদন করেন। এতে নামজারির নথিপত্র তল্লাশি দিতে গিয়ে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বেয়ারা মৌজায় বাঘৈর মৌজার মূল দলিলপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া ওই আবেদনপত্রে অন্য এক মহিলার ছবি সংযুক্ত করেছেন। আবেদনকারী ওই নামজারির জন্য প্রায়ই অফিসে আসে এবং তার নামজারির বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়। অন্যান্য দিনের মতো মিন্নত আলী রবিবার অফিসে এলে তাকে ডেকে তার আবেদন করা কাগজপত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক প্রমথ রঞ্জন ঘটকের কাছে তার কাগজপত্র জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়েছে বলে স্বীকার করেন। এতে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মিন্নত আলীর বাবার নাম মৃত হামিদ আলী ভূইয়া। তার বাড়ি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া মুসলিম নগর এলাকায়।