সাভারে ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কে ২০-২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চালক ও যাত্রীরা বলছেন, যে পথ পেরুতে অন্যদিন সর্বোচ্চ ২০ মিনিট লাগে, আজ সেখানে দুই-তিন ঘণ্টা লাগছে। যানজটে আটকা পড়ে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে বিশমাইল পর্যন্ত দুই কিলোমিটার ও সিঅ্যান্ডবি এলাকায় এক কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নবীনগর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া, আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কে বাইপাইল থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত সাত কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে যানজট।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আল-হামরা পরিবহনের একটি বাসের সুপারভাইজার আলীম জানান, তারা বিকাল সাড়ে চার দিকের ঢাকা থেকে রওনা দেন। আধঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। এখন বাইপাইল এলাকায় যানজটে আটকে রয়েছেন।
পিংকি পরিবহনের বাসের দুই যাত্রী হাসান ও সাগর জানান, তারা সন্ধ্যার আগে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার জন্য গাড়িতে ওঠেন। সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সাভারের নবীনগর এলাকায় পৌছানোর পর থেকেই যানজটে পড়েন। একঘণ্টা হয়ে গেলেও এখনপর্যন্ত ১০ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে পারেনি।
হানিফ পরিবহনের বাসচালক রিপন বলেন, ‘বিকালের দিকে আমি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে রওনা দিই। সন্ধ্যা ৬টার দিকে নবীনগর এলাকায় এসে পৌঁছালে তীব্র যানজটে পড়ি। নবীনগর থেকে বাইপাইল পার হতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় লাগে; অথচ আজ একঘণ্টা হয়ে গেলেও এখনপর্যন্ত বাইপাইল পার হতে পারেনি।’
দীর্ঘ যানজটের কথা স্বীকার করে সাভার হাইওয়ে থানার ওসি গোলাম মোর্শেদ তালুকদার বলেন, ‘বিকালের পর সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল এলাকার পোশাক কারখানাগুলোর কর্মীদের ছুটি হয়েছে। এরপর পোশাক শ্রমিকরা বাড়ি ফেরার জন্য বাসস্ট্যান্ডগুলোতে জড়ো হন। তাই মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে কিছু সময়ের মধ্যেই যানজট কমে যাবে।’