অলিউল্লাহ দাবি, শরীরে সোনালী রঙ ও বাঘের মতো ছোপছোপ দাগ আছে বলে ছাগলটির নাম টাইগার রেখেছেন। এটি দেশীয় রাম ছাগল প্রজাতির। গত তিন বছর ছাগলটিকে লালন-পালন করেছেন। ২০১৮ সালের কোরবানির ঈদে টাইগারকে রাজধানীর গাবতলী গরুর হাটে তোলেন। তখন এক লাখ দশ হাজার টাকা দাম ওঠে। বিক্রি করেননি। গত রমজান মাস থেকে টাইগারকে প্রতিদিন ডাল, ভুট্টা, গম ও ছোলার ভুষির পাশাপাশি আপেল, মাল্টা ও সাদা রুটি খেতে দেওয়া হয়েছে।
দোহার উপজেলা পশু চিকিৎসক মো. শামীম হোসেনের পরামর্শে টাইগারকে লালন-পালন করেছেন জানিয়ে অলিউল্লাহ বলেন, ‘ছাগলটির উচ্চতা প্রায় ৪ ফুটের বেশি। ওজন ১৩০ কেজির ওপরে। রাজধানীর গাবতলীর গরুর হাটে ছাগলটিকে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। এজন্য ওই হাটে ৪ হাজার টাকা অগ্রিম ভাড়ায় একটি নির্দিষ্ট জায়গা ভাড়া নিয়ে রাখা হয়েছে, সেখানে ছাগলটি বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা হবে।’
অলিউল্লাহ ১৪ বছর সিঙ্গাপুর থাকার পর ২০১২ সালের মে মাসে দেশে ফিরে আসেন জানিয়ে বলেন, ‘শখের বশে ওই বছরের শেষের দিকে আমি স্থানীয় এক ছাগল বেপারীকে একটি ভালো জাতের ছাগল কিনে দেওয়ার জন্য অগ্রিম পাঁচ হাজার টাকা দেই। তিনি আড়াই মাস বয়সী একটি ছাগল কিনে দেন। ২০১৬ সালে তার গর্ভে এই টাইগারের জন্ম হয়। তখন থেকে তাকে স্বাভাবিক খাবার যেমন- গম ও ছোলার ভুষি এবং বিভিন্ন ধরনের ঘাস খেতে দিতাম।’
এ প্রসঙ্গে দোহার উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. শামীম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অলিউল্লাহ প্রায়ই আমার অফিসে আসতেন। আমি তাকে ঠিকভাবে ছাগল পালন ও যত্ন সম্পর্কে পরামর্শ দিতাম।’