অধ্যাপক রুহুল আমীন বলেন, ‘অনেক শিক্ষক ওই সময়ে কলেজে ছিলেন। ঘটনার সময় আমি শ্রীপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ছিলাম। এ ব্যাপারে জানতে হলে কলেজের অন্যান্য শিক্ষকদের কাছে জানতে হবে। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নামফলক ভাঙচুরের ঘটনায় অধ্যাপক মো. রুহুল আমীন বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ শামসুল আরেফিন বলেন, ‘শহীদ মিনারের নামফলক ভাঙচুরের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে তারা শ্রীপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করে।’