সবজি২৫ বছর আগে ৫ কাঠা জমিতে কচু চাষ শুরু করেছিলেন মঙ্গল খাঁ। এখন তার কচু ক্ষেতের জায়গার পরিমাণ বেড়েছে। এখন কচুর পাশাপাশি তিনি অন্যান্য সবজির চাষও করেন। সবজি চাষ করে একদিকে যেমন তিনি নিজের অবস্থার উন্নতি করেছেন তেমনি অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়াও নারিকেল, আমগাছসহ বিভিন্ন ফলমূলের গাছ লাগিয়েছেন তিনি। করেছেন মাছের ঘের ও মুরগির খামার। গরুও কিনেছেন কয়েকটি। এসব থেকে তার প্রতি বছরই কয়েক লাখ টাকা আয় হয়।
মঙ্গল খাঁর সবজি ক্ষেতগোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ গ্রামের আদর্শ কৃষক মঙ্গল খাঁ। তিনি তার জমিতে কঁচু, লালশাক, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফলমূল চাষ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দীর্ঘ ২৫ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি এখন সাবলম্বী। তার দেখাদেখি এখন অনেকেই সবজি চাষ শুরু করেছেন।
কচু ক্ষেতমঙ্গল খাঁ বলেন, ৫ কাঠা জমিতে প্রথম কচু লাগিয়ে তিনি চাষাবাদ শুরু করেছিলেন। এই সবজি চাষ করেই তিনি জায়গা-জমি কিনেছেন। পাঁচ ছেলে-মেয়েদেরকে লেখাপড়া শেখাচ্ছেন। তিনি যা রোজগার করেন তাতে তিনি বেশ খুশি। এই সাফল্যের পেছনে তার স্ত্রীরও অবদান রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাধ মিলিয়ে তিনিও জমিতে কাজ করেছেন।
কচু তুলছেন মঙ্গল খাঁমঙ্গল খাঁর এই সাফল্য দেখে ওই এলাকার অনেকেই সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষাবাদ করতে শুরু করেছেন। তাদের কেউ কেউ ভালো সবজি ফলিয়ে আয় রোজগার করছেন। তারা জানান, মঙ্গল খাঁ তাদের এলাকার সবজি চাষি হিসেবে পরিচিত। একাজ করে তিনি অনেক কিছু করেছেন। তার পথ অনুসরণ করে তারাও সবজি চাষাবাদ শুরু করেছি।
গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ব্রহ্ম বলেন, মঙ্গল খাঁ একজন আদর্শ কৃষক। সে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তার মতো আরও যদি কৃষক গড়ে ওঠে তাহলে আমাদের এলাকা এক সময় কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।