জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমিক সংকট থাকায় উপজেলার দিগলকান্দি ইউনিয়নের বেলদহ গ্রামের দরিদ্র কৃষক বিশু, ছিন্টু ও রফিক মিয়া পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না। বিষয়টি উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম লেবুর নজরে আসে। পরে তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে ওই তিন কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে দেন।
কৃষক বিশু মিয়া বলেন, ‘জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। ফলনও এবার ভালো হয়েছে। ক্ষেতের ধান পাকলেও শ্রমিক না থাকায় কাটতে পারছিলাম না। সকালে ক্ষেতে গিয়ে দেখি কাঁচি হাতে একদল লোক ধান কাটছেন। কাছে গিয়ে দেখি উপজেলা চেয়ারম্যানও ধান কাটছেন। চেয়ারম্যানকে দেখে আমি অবাক হই।’ এ সময় চেয়ারম্যানের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই আমরা দলীয় লোকজন নিয়ে আজ থেকে কাঁচি হাতে কৃষকদের পাশে দাঁড়ালাম। দরিদ্র কৃষকের যেকোনও সংকটে আমরা কাজ করে যাবো। এ প্রতিশ্রুতি নিয়েই এলাকার তিন জন অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে ওই কৃষক বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না, আমরা বিনা পারিশ্রমিকে তার ধান কেটে ঘরে তুলে দেবো। পরে যখন তার জমির ধান কেটে বাড়িতে এনে দিলাম, তার মুখের হাসি আমাদের অন্যরকম আনন্দ দিয়েছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছুই নেই। এই দুঃসময়ে প্রত্যেকের উচিত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো।’