নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় শ্রমিকরা শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব মেনে কাজ করছে কিনা সেগুলো তদারকি করেছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। শনিবার (২ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান বিন আলি নারায়ণগঞ্জের বিসিকের ফকির গ্রুপ, তল্লা এলেকার মডেল গ্রুপের এবং এসটোরেক্স গ্রুপের ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাসহ বেশ কয়েকটি ছোটবড় কারকাখানা ঘুরে ঘুরে দেখেন। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক শুধু নারায়ণগঞ্জে বসবাসকারী ৩০ শতাংশ শ্রমিক ও তাদের যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে উৎপাদন পরিচালনা করছে কিনা তা তদারকি করা হয়।
এতে প্রায় সবগুলো কারখানায় সুরক্ষা বিধি সন্তোষজনকহারে মেনে চলতে দেখা গেলেও ফারিহা নিট টেএক্সের শ্রমিকের সংখ্যা ৩০ শতাংশের বেশি নিয়ম মানছে না। এসময় কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট তাদের ওপর কোনোরকম চাপ প্রয়োগ করে কাজে যোগদানে বাধ্য করা হচ্ছে কিনা জানতে চান। যদি চাপ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে তাহলে জেলা প্রশাসনকে জানাতে অনুরোধ করেন। এছাড়াও কারখানা মালিক পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।