গত কোরবানি ঈদে এই খামার থেকে ৩০টি গরু বিক্রি করা হয়েছে। এ বছর কোরবানির ঈদের জন্য অনলাইনে ৩৬টি গরু বিক্রি করা হয়েছে। আরও বিক্রিয়যোগ্য গরু আছে ১৪টি। ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে খামারে রাখা হয়েছে সব দেশি জাতের গরু। এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে হ্যান্ডশেক অ্যাগ্রো আকর্ষণীয় সার্ভিস দিচ্ছে। অর্থাৎ বিক্রিত গরু ক্রেতা ইচ্ছে করলে খামার থেকে জবাই করে নিতে পারবেন। বর্তমানে ১৮ বিঘা জমিতে চলছে খামারের কার্যক্রম। তিন বিঘায় গরুর মূল খামার। বাকি জায়গাতে গরুর জন্য সবুজ ঘাস ও ভুট্টা উৎপাদন করা হয়। ভুট্টা গাছ থেকে তৈরি করা হয় সাইলেজ। নিজস্ব খামারের চাহিদা মিটিয়ে তা বাইরে বিক্রি করা হয়। গরু লালন পালনের জন্য দুটি পরিবারের ৫-৬ জন নিয়মিত কাজ করেন। খামারের পাশেই রয়েছে তাদের থাকার ব্যবস্থা।
রয়েছে আলাদা সুসজ্জিত কক্ষ। তরুণদের এমন উদ্যোগের সফলতা দেখে আশপাশ এলাকার অনেকেই খামার প্রতিষ্ঠা করছেন। একই এলাকায় গড়ে উঠেছে একাধিক গরুর খামার। অনেকে খামার প্রতিষ্ঠার জন্য শরণাপন্ন হচ্ছেন এই তরুণদের।
হ্যান্ডশেক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া রুবেল বলেন, ‘কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করতে গিয়ে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, নিরাপদ আমিষ উৎপাদন করে মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া। খামারের বেশিরভাগ গরুই অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে।’
কাপাসিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান সরেজমিনে হ্যান্ডশেক (প্রা.) লিমিটেড পরিদর্শন করে জানান, কাপাসিয়ায় মোট এক হাজার ৫২০ জন খামারি রয়েছেন। তাদের ৮ হাজার ৩৬০টি পশু বিক্র করার উপযোগী। এ খামার থেকে অনলাইনে গরু বিক্রি ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। উপজেলার খামারিদের মধ্যে হ্যান্ডশেক অ্যাগ্রো স্থানীয় তরুণদের উৎসাহিত করছে।