পরে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করে ৭৫-এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।
এ সময় ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলগণ, গোপালগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাসির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এম জুলকদর এবং ঢাকা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট জেলার আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, করোনাকালীন মামলার জট যাতে আরও গভীর না হয় তার জন্য ভার্চুয়াল কোর্ট করা হয়েছে। সব মামলা হাইকোর্টে চলে আসার প্রবণতা ঠিক না। এটা নিম্ন আদালতেই সমাধান করা উচিত। আমরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবো এবং এটা সমাধান করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো।
তিনি আরও বলেন, আসামি যখন গ্রেফতার হয়, তখন কিছু কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে যায়। এই ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকার কারণেই উচ্চ আদালত থেকে আসামিরা জামিন পেয়ে যায়। নিচের ভিত্তি শক্তিশালী হলে চাঞ্চল্যকর মামলা থেকে কেউ জামিন পাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।