মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ ডিসেম্বর সাংসারিক বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ওই গৃহবধূর ঝগড়া হয়। এ ঘটনায় বিচার চাইতে পরের দিন বেলা তিনটার দিকে ওই নারী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাদেরের কাছে ইউনিয়ন পরিষদে যান। পরে সন্ধ্যা হওয়ায় ঘটনার মীমাংসার কথা বলে ওই নারীকে ইউপি চেয়ারম্যান তার বাড়িতে যেতে বলেন। রাতে ওই বাড়িতে ইউপি চেয়ারম্যান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ সময় বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বলেন, মামলা তুলে নিতে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে শনিবার সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাদেরের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকবর আলী খান বলেন, গতকাল শুক্রবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন ওই নারী। জেলা সদর হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।