গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় মর্জিনা বেগম (৪০) নামে এক নারীর শরীরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে তার স্বামী স্বাধীনের বিরুদ্ধে। রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কোনাবাড়ী থানার সেলিমনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মর্জিনা টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে।
অভিযুক্ত স্বাধীন কোনাবাড়ী এলাকার কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেডে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত। তারা স্বপরিবারে সেলিমনগর এলাকায় ভাড়া থাকেন।
অভিযোগে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে অভিযুক্ত স্বামী ঘটনার সময় গৃহবধূর পরনের কাপড়ে গ্যাস লাইট দিয়ে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করে কোনাবাড়ী শরিফ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
শরিফ জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওমর ফারুক জানান, বিকাল সাড়ে ৩টায় মর্জিনা বেগমকে এ হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক জানান, গৃহবধূর গায়ে আগুন দেওয়ার খবর হাসপাতাল থেকে জানতে পেরেছি। হাসপাতালে একজন অফিসারকে (এসআই) ঘটনা জানার জন্য পাঠানো হয়েছে। গৃহবধূর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।