নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাবেয়া বেগম (৩৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ মার্চ) দুপুরে শান্তিনগর এলাকার একটি বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় তার স্বামী সোহেল আহমেদ অপুসহ দুই জনকে আটক করা হয়েছে। রাবেয়া বেগম ভোলার দক্ষিণ আইচা থানার তাল্লুককান্দা গ্রামের তোফাজ্জল সিকদারের মেয়ে।
স্বামী ও চার সন্তান নিয়ে ফতুল্লার হরিহরপাড়ার শান্তিনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। সোহেল আহমেদ বরিশালের কোতোয়ালি থানার চরনিহালগঞ্জ গ্রামের মোস্তফা হাওলাদারের ছেলে। আটক আরেক যুবক তার প্রতিবেশী আব্দুল মান্নান (২৫)।
আটকের পর অপু পুলিশকে জানিয়েছে, রাবেয়া বেগম সুদে টাকা ধার দিতো। এই অজুহাতে নানান লোকের সঙ্গে ফোনে কথা বলতো। এ নিয়ে দেড় মাস আগে দুই জনের ঝগড়া হয়। পরে অপু স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করে আসছিল। মাঝে মাঝে স্ত্রী-সন্তানদের বাসায় আসতো। তবে রাবেয়াকে কে বা কারা হত্যা করেছে এ ব্যাপারে কিছু জানে না বলে দাবি অপুর।
প্রতিবেশীরা জানায়, সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে অপুকে শান্তিনগর এলাকার ওই ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এরপর সকালে রাবেয়ার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়।
স্বজনদের বরাত দিয়ে ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, নিহতের বড় দুই ছেলে নাহিদ ও নাঈম দাদির সঙ্গে থাকে। আর ছোট দুই ছেলে মায়ের সঙ্গে থাকতো। গত রাতে শাহিদ ও জাহিদুল পাশে ঘরে ঘুমিয়েছিল। রাতে তাদের বাবা বাসায় আসে। সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা মায়ের লাশ দেখতে পায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, গৃহবধূর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।