এর আগে রবিবার রাতে পুলিশ মিল্টন (২০) মিল্টনের বাবা তারা মিয়া (৪৪), ভাই রাব্বি (১৮) এবং রাসেল (২০) ও রুবেল হোসেন (২২) কে ধামরাই উপজেলার চর চৌহাট গ্রাম থেকে আটক করে।
টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মাহফিজুর রহমান জানান, সোমবার বিকেলে মিল্টনকে টাঙ্গাইলের বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হলে মিল্টন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সানজিদা খানম জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন।
অপহৃত ইমরান ও শাকিল তাদের চিনে ফেলায় হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জবানবন্দিতে মিল্টন উল্লেখ করেছেন।
আটক অন্য চারজন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানান গোলাম মাহফিজুর রহমান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকেলে ঢাকারধামরাই উপজেলার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে শাকিল (১০) ও একই গ্রামের আবু বকরের ছেলে ইমরান (১১) তাদের বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী মির্জাপুর উপজেলার একটি স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দেখতে এসে নিখোঁজ হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। শুক্রবার মির্জাপুর উপজেলার হারিয়া গ্রামের একটি লেবু বাগান থেকে শাকিল ও ইমরানের জবাই করা লাশ উদ্ধার করা হয়।
/বিটি/এনএস/