গাজীপুরে নিজ গাড়ি থেকে শিক্ষক দম্পতির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় শিক্ষক এ কে এম জিয়াউর রহমান মামুনের (৫১) বড় ভাই বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। গাজীপুর মেট্রোাপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার ওসি নন্দ লাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, নিহতের বড় ভাই আতিকুর রহমান বাদী হয়ে সন্ধ্যায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণ তদন্তের স্বার্থে তিনি জানাতে চাননি।
আরও পড়ুন: প্রাইভেটকারে শিক্ষক দম্পতির লাশ, ফুসফুস-কিডনিতে জমাট রক্ত
তিনি আরও বলেন, এখনও তাদের মৃত্যুর কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে এরই মধ্যে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: প্রাইভেটকারে শিক্ষক দম্পতির লাশ, স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা
১৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার নিজ প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে শিক্ষক এ কে এম জিয়াউর রহমান মামুন (৫১) ও তার স্ত্রী শিক্ষক মাহমুদা আক্তার জলির (৩৫) মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাদের প্রাইভেটকারটি মহানগরীর গাছা থানার বড়বাড়ির বগারটেক এলাকার সড়কের পাশে পড়ে ছিল।
নিহতদের স্বজনদের দাবি পরিকল্পিতভাবে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন শিক্ষক জিয়াউর রহমান
শিক্ষক এ কে এম জিয়াউর রহমান মামুন গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন কামারজুরি এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি টঙ্গীর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার জলি টঙ্গী বাজার এলাকার আমজাদ আলী সরকার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।