গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘আখেরি মোনাজাতে যদি লোকজন বেশি হয় বা রাস্তায় যদি ওভার ফ্লো হয় সে ক্ষেত্রে রাস্তায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করবো। সেই যানবাহনগুলো টঙ্গী থেকে ভোগড়া পর্যন্ত সড়ক বন্ধ করে দেবো। কামারপাড়া সড়কও বন্ধ করে দেবো। সেই ক্ষেত্রে ঢাকার ৩০০ ফিট হয়ে বাইপাস দিয়ে ঢাকা ও ময়মনসিংহের গাড়িগুলো আসা-যাওয়া করতে পারবে।’
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১১টায় ইজতেমা মাঠে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
জিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় ইজতেমা যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয় সে জন্য বরাবরের মতো এবারও কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সমস্ত মাঠ নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্বের মতো এ পর্বেও ভালোভাবে নিরাপত্তা দিচ্ছি। যাতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতেমায় এসে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন হতে পারেন সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দ্বিতীয় পর্বে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো বিদেশি অতিথি এসেছেন। তাদের জন্যও অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছি। সবমিলিয়ে প্রত্যাশা করছি, দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমাও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
মলম পার্টি এবং দুষ্কৃতিকারীরা ইজতেমা মাঠে আছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে। ইউনিফর্ম ও সিভিলে ডিউটি করছেন আইনশৃঙ্খলার অনেকে, সিসিটিভি আছে। সুতরাং সিসিটিভি দিয়ে এসব বিষয়গুলো সবসময় মনিটরিং করা হচ্ছে। সিসিটিভি দেখে আমরা প্রথম পর্বে কিছু পকেটমার শনাক্ত করেছি। এবার আমরা আরও সচেষ্ট থাকবো। কোন কোন এলাকায় পকেটমার হয় এটা আমরা নির্ধারণ করেছি। আমরা মনে করছি, এবার আরও কমিয়ে আনতে পারবো। মোবাইল চুরি হয়- সে বিষয়েও আমরা সচেষ্ট আছি। মলম বা অজ্ঞান পার্টি এ ধরেনের কোনও ঘটনা প্রথম পর্বে পরিলক্ষিত হয়নি। এবারও প্রত্যাশা করছি এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটবে না।’
ইসরায়েল থেকে আসা মুসল্লিদের বিষয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আপানর জানেন, ইসরায়েলের ১৫ থেকে ২০ পার্সেন্ট মুসলমান আছে। তারা যদি আল্লাহর ধ্যানে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আসে তাহলে কী আমাদের উচিৎ হবে তাদের বের করা। এটার কথা চিন্তা করে তাদের অন্যভাবে অনুমতি দিয়েছে।’