মাদারীপুরে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ছিলারচরে এ ঘটনা ঘটে। এতে চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন- নজরুল ইসলামের স্ত্রী শেফালী বেগম (৩০), আমজাদ শিকদারের ছেলে মহিবুল শিকদার (৩৫) ও মিজান শিকদার (১২), হেলালউদ্দিন শিকদারের ছেলে আজাহার শিকদার (৪০), ইসমাইল মাতুব্বরের স্ত্রী রানু বেগম (৫০), সোনামুদ্দিন শিকদারের ছেলে সাহাবুদ্দিন শিকদার (৪০) ও কালিকাপুরের আব্দুর রহমানের ছেলে সালাউদ্দিন (৩২)। বাকিদের নাম পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকার অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো সাহাবুদ্দিন শিকদারের ছেলে শাকিল শিকদার। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশে মীমাংসাও হয়। এরই জেরে সকালে অভিযুক্ত শাকিল ওই মেয়ের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুইপক্ষ। এতে আহত হন ২০ জন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় জেলা সদর হাসপাতালে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে পাঠিয়েছেন চিকিৎসক।
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে শাকিল। এর প্রতিবাদ করায় অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে পরিবারের সবাই আহত হয়েছি। এই ঘটনার বিচার চাই।
সাহাবুদ্দিন শিকদার বলেন, হঠাৎ ওই মেয়ের বাবা তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজামান ফকির জানান, সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার জনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।