নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আইনজীবী আবদুল্লাহ আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় এনসিপির দুই কর্মী আহত হন। তবে নিরাপদে আছেন এনসিপির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল আমিন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নের বাশমুলি এলাকায় গণভোটের প্রচারণা চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- এনসিপির ছাত্র-উইং ছাত্রশক্তির মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব মারুফ সরকার (২১) ও ফতুল্লা থানা কমিটির সংগঠক আবু তাহের (২২)।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জেলা জাতীয় যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক রাইসুল ইসলাম বলেন, ‘সন্ধ্যায় ফতুল্লার কাশিপুর বাশমুলি এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণভোটের প্রচারণার সময় এক যুবককে আল আমিন ভাইয়ের পেছনে অনুসরণ করতে দেখা যায়। নেতাকর্মীদের তাকে নিয়ে সন্দেহ হলে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার জামার নিচ থেকে বড় একটি চাপাতি পাওয়া যায়। এ সময় সে পালাবার চেষ্টা করে। তখন তার পক্ষের কয়েকজন এলে আমাদের ওপর হামলা করে ওই যুবক পালিয়ে যায়। এতে এনসিপির দুই কর্মী আহত হন।’
এ বিষয়ে আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, ‘আমি গণভোট নিয়ে গণসংযোগে ছিলাম। আমার সঙ্গে ৪০-৫০ জন কর্মী ছিলেন। আমরা স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে মতবিনিময় করছিলাম। এ সময় এক যুবক আমাদের অনুসরণ করতে থাকে। তাকে সন্দেহ হলে থামিয়ে তল্লাশি করলে জামার ভেতরে চাপাতি পাওয়া যায়। চাপাতি নিয়ে অনুসরণের কারণ জানতে চাইলে সে জানায়, এক বড় ভাই তাকে অস্ত্র নিয়ে অনুসরণ করতে বলেছেন। এদিকে মুহূর্তের মধ্যে ওই ছেলের পক্ষে বেশ কিছু লোকজন জড়ো হতে থাকেন। পরে ওই ছেলেটি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমাদের দুজন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আমাদের নিরাপদে গাড়িতে তুলে দেন। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসিনুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে এ ধরনের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টা তদন্ত করে দেখছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই অবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দুজন আহত হয়েছেন।’