নদী পার হতে দৌলতদিয়া ঘাটে শত শত যানবাহনের সিরিয়াল 

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ায় প্রায় ছয় ঘণ্টা ঘাটটি বন্ধ ছিল। তবে শুক্রবার (৫) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পুনরায় ৭ নম্বর ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার শুরু হয়েছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। তবে নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে নৌপুলিশ আগেই বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ায় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়।

শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, তিনটি ঘাটের মধ্যে দুটি ঘাট সচল রয়েছে। একটি ঘাট বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুনিপুন অর্গানিক পর্যন্ত দুই সারিতে যানবাহনের সিরিয়াল তৈরি হয়েছে। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে ৭ নম্বর ফেরিঘাট সচল হলেও ঢাকামুখী যানবাহনের সিরিয়াল দীর্ঘ হচ্ছে। এতে প্রায় ২০০-৩০০ যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, সকালে ৭ নম্বর ফেরিঘাটে দুর্ঘটনার কারণে তিনটি ৩, ৪ ও ৭ নম্বর ঘাটের মধ্যে দুটি ঘাট সচল থাকে। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ৭ নম্বর ঘাটটি চালু করা হয়। ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ বাড়ায় নদী পার হতে আসা দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের সিরিয়াল তৈরি হয়েছে। আশা করছি। সন্ধ্যার পর যানবাহনের সিরসির কমে আসবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট বড় মিলিয়ে ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৩টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।