সোহরাব হোসেন রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল সিবিএ/নন সিবিএ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক। তার নেতৃত্বেই রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করেছে।
সোহবার হোসেনকে টার্মিনেট করার ঘোষণার পর রাতেই শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং মিলের প্রশাসনিক ভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মিলের উৎপাদন বন্ধ রেখেছেন। মিল এলাকায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। সকাল ১০টায় রাষ্ট্রায়ত্ত সাত পাটকলের শ্রমিক নেতারা এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৈঠক করছেন। ক্রিসেন্ট জুট মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির তৈয়্যেমুর ইলি জানান, শ্রমিক নেতা সোহরাবকে টার্মিনেট ঘোষণার পর রাতেই শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা মিলের ভেতরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। রাতে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। তবে, ভোর থেকে শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ রেখে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ফলে মিলের ভেতরে প্রশাসনের লোকজন প্রবেশ করতে পারছেন না।
শ্রমিক নেতা সোহরাব হোসেন বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার্থে আন্দোলন করা ও আপোসহীনভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণেই তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
ক্রিসেন্ট জুট মিলের সিবিএ সভাপতি দ্বীন ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ক্রিসেন্ট জুট মিলের সিবিএ/নন সিবিএ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সোহরাব হোসেনের চাকরিচ্যুত আদেশ প্রত্যাহার করার জন্য মিল কর্তৃপক্ষ ও বিজেএমসিকে অনুরোধ জানানো হবে। কিন্তু তাতেও সুফল না হলে কঠোর অবস্থানে যাবে শ্রমিকরা। এ লক্ষ্যে সাত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিক নেতাদের নিয়ে সকাল ১০টায় তাদের বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক থেকেই সব মিলের উৎপাদন বন্ধ রাখার ঘোষণা আসতে পারে।
আরও পড়ুন:
দুই মাস ধরে টিকা সংকট: উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা
/বিটি/