র্যাব-০৮ সূত্রে জানা গেছে, বনদস্যু ইলিয়াছ ও মজনু বাহিনী বনদস্যুতা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য তারা অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও র্যাবের মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে এ দুই বাহিনীর ১১ সদস্য ২৭টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করবে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় বর্তমানে সব থেকে বড় বনদস্যু দল হিসেবে দাঁপিয়ে বেড়ায় মজনু বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যরা প্রতিনিয়ত জেলে ও বনজীবীদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছে। অন্যদিকে গোটা সুন্দরবনের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা বনদস্যু রাজু বাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় টিকতে না পেরে বাহিনী প্রধান ভারতে আশ্রয় নিলে ওই বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ইলিয়াছ নিজ নামে বাহিনী গঠন করে। ওই বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর উপকূলে বনদস্যুতা চালিয়ে আসছিল। পরে ইলিয়াছও পালিয়ে গেলে তার বাহিনী অনেকটা দুর্বল হয়ে যায়। পরে বনদস্যু মজনু বাহিনী ও ইলিয়াছ বাহিনীর সদস্যরা র্যার সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণ করে প্রচলিত আইনে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানায়।
এর আগে, মংলায় গত ৩১ মে ৫২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫ হাজার রাউন্ড গুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন সুন্দরবনে বনদস্যু মাস্টার বাহিনীর প্রধান মাস্টারসহ ১০ বনদস্যু।
আরও পড়ুন: থমকে আছে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ
/এআর/