গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, নিজ বাড়িতে সাহারুল ইসলাম ও সঙ্গীয় কয়েকজন বোমা তৈরি করছিল। এক পর্যায়ে বিকট শব্দে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সাহারুলের দুই হাত ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বামন্দীর একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা না হওয়ায় কুষ্টিয়ায় নেওয়ার জন্য গোপনে বামন্দী আখ সেন্টানের কাছে নেয় পরিবারের লোকজন। এক পর্যায়ে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।ঃ
/এইচকে/