বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে এইচএসসির ফল প্রকাশকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, গত বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডের ফল বিপর্যয়ের বিষয়টি তারা সিরিয়াসলি নেন। এরপর বোর্ড কর্তৃপক্ষ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। সেখানে অষ্টম, দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। এতে শিক্ষার্থীরা মোটিভেট হয়েছে বলেই এবার জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসির ফল বেশ ভাল বলে তিনি মনে করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার পরীক্ষায় প্রশ্ন খারাপ হয়নি, যাতে ফলাফলে ধস নামে। এমন কোনও কঠিন প্রশ্নও হয়নি যাতে ফেলের মাত্রা বাড়ে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থী, অভিভাবক আর মিডিয়া সঙ্গে থাকলে আগামীতে আরও ভাল ফল হবে।
উল্লেখ্য, যশোর বোর্ডের অধীনে চলতি বছর অংশগ্রহণকারী ৫৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩টিতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। আর একমাত্র কুষ্টিয়ার বেগম ফজিলাতুননেসা মুজিব মহিলা কলেজ থেকে কেউই পাস করেনি। এই প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচজন পরীক্ষা দেয়।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমপিও বাতিলসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলের ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার দেশসেরা ফলাফল হয়েছে যশোর বোর্ডের। এ বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৪২। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৫৮৬ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার প্রায় দ্বিগুণ। একইসঙ্গে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও বেড়েছে প্রায় তিনগুণ।
আরও পড়ুন:
দেশসেরা যশোর বোর্ড, পাসের হার ৮৩.৪২ শতাংশ
/বিটি/