বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আগামী চার বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দিয়েছেন বলে ওই ফ্যাক্স বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ফ্যাক্স বার্তায় তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর উপাচার্য পদটি শূন্য হয়ে যায়।
অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী ১৯৯০ সালের ৩১ জুলাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক পদে যোগদান করেন। পরে ২০০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স করেন। পরে ভারতের পুনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী ১৯৬৫ সালের ১ জুন রংপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি এর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা, সৌদি আরবের কিং খালিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে, নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে ১৯৯১ সালের ১৩ নভেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। এরপর তিনি বিভাগীয় সভাপতি ও আইন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ড. তোহা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ১৯৬৪ সালের ১১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
এদিকে, ফ্যাক্স পাওয়ার পরেই বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদান করেন অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকারিয়া রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
আহত অবস্থায় বসুন্ধরা সিটি থেকে একজন উদ্ধার
/বিটি/