মামলার অন্য আসামিরা হলেন হরিণাকুন্ডু উপজেলার আসমাউল হুসাইন ও শহরের পাগলাকানাই এলাকার রেহেনা খাতুন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হরিনাকুন্ডু উপজেলার শাখারীদহ গ্রামের আশির উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা খাতুনের কাছ থেকে দুদফায় ৫৫ হাজার টাকা ধার নেন সদর উপজেলার সাবেক বিন্নি গ্রামের দেলোয়ার রহমানের স্ত্রী রেহেনা খাতুন। দীর্ঘদিন ধরে টাকা পরিশোধ না করে রেহানা খাতুন সময়ক্ষেপন করতে থাকেন। পরে টাকা ধার নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে রেহানা খাতুন টাকা দেবেন বলে ১১ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই মোড়ে আসতে বলেন পাওনাদার হাসিনা খাতুনের ছেলে উজ্জল হোসেনকে। সেসময় ঝিনাইদহ সদর থানার এএসআই আরিফ হোসেনকে দিয়ে অবৈধভাবে উজ্জল হোসেনকে গ্রেফতার করায়। এএসআই আরিফ হোসেন মামলা হয়েছে বলে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে উজ্জল হোসেনকে থানায় নিয়ে যান। ঘটনাস্থলে থাকা আসমাউল হুসাইন নামে আরও একজন আরিফ হোসেনকে এ কাজে সহযোগিতা করেন। পরে থানা থেকে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে উজ্জল হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় উজ্জল হোসেনের বাবা আশির উদ্দিন বাদী হয়ে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা করেন।বিচারক মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে এএসআই আরিফ হোসেন, রেহানা খাতুন ও আসমা-উল-হুসাইনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে মাদকের ছড়াছড়ি, আটকের চেয়ে ২০ গুণ বেশি বিক্রি
/বিটি/