এছাড়া ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ না পাওয়ায় শহরের ধর্মতলার আব্দুস সালামকে চার্জশিট থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।
তদন্ত শেষে সোমবার আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই শরিফুল ইসলাম। অভিযুক্ত আসামিরা হলো শহরের পুরাতন কসবার শহীদ মশিয়ূর রহমান সড়কের মিশর প্রবাসী আব্দুল আজিজের ছেলে হিযবুত তাহরির আঞ্চলিক কমান্ডার তানজিব আহমেদ ওরফে আশরাফুল, তানজিবের বোন মাছুমা আক্তার ও মাকছুদা খাতুন এবং বোন জামাই জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার পলিশা গ্রামের নাজমুল হাসান ও ঢাকার কল্যাণপুর এলাকার শাকির আহম্মেদ; ধর্মতলার আব্দুস সালামের ছেলে রায়হান ওরফে রায়হান আহম্মেদ, আরবপুরের ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী তানজিল তামান্না আশা, অভয়নগর উপজেলার বনগ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে আতাউর রহমান।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরির নেতারা খিলাফত আসন্ন উল্লেখ করে একটি অনলাইনে সংবাদ সম্মেলন করে। এরই সূত্র ধরে গভীর রাতে পুলিশ যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আঞ্চলিক কমান্ডার তানজিব আহমেদ ও আশরাফুলকে আটক করে। এ সময় তার বাসা থেকে ১৪টি ম্যাগাজিন, হিজবুত তাহরির কর্তৃক সরবরাহকৃত সাত ধরনের ৭০টি লিফলেট, একটি কালো রংয়ের ল্যাপটপ (যাতে খিলাফত আসন্ন শিরোনামে অনলাইনে রাজনৈতিক সম্মেলনের ধারণকৃত ভিডিও রয়েছে) উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার ব্যবহৃত একটি মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে ডিবির এসআই আবুল খায়ের মোল্লা বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেওয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
চার্জশিটে অভিযুক্ত রায়হান আহম্মেদ, মাকছুদা খাতুন, শাকির আহম্মেদ ও নাজমুল হাসানকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
/বিটি/